banner

The New Stuff

tumblr_m5ttvwJwae1qkwmgko1_1280
282 Views

মেরাজুন্নাবী (সা) এর মূল দীক্ষাকে অস্বীকার করা প্রত্যক্ষভাবে শানে রেসালাতের অস্বীকৃতি


টাইমস৭১বিডি ডেস্ক, ঢাকা –

মিরাজ আরবি শব্দ। যার অর্থ সিঁড়ি বা সোপান , ঊর্ধ্ধে আরোহণ , উপরে ওঠা ইত্যাদি। হুজুর আকদাস সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নবুওয়াত প্রাপ্তির পর তার মাক্কী জীবনের শেষ দিকে , মতান্তরে হিজরতের তিন বছর আগে রজব মাসের ২৭ তারিখের রাতে তিনি জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে বোরাক নামক বাহনযোগে মক্কা মুকাররামা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাস এবং সেখান থেকে রফরফ যোগে উর্ধালোকে পরিভ্রমণের মাধ্যমে সৃষ্টির অনন্ত রহস্য অবলোকন এবং আল্লাহ পাকের একনিষ্ঠ সাক্ষাত লাভ করেন। নবি করীম স. এর মক্কা মুকাররামা থেকে বায়তুল মুকাদ্দাসের এ ভ্রমণকে ইসরা তথা রাত্রিকালীন ভ্রমণ আর বায়তুল মুকাদ্দাস থেকে উর্ধালোকে পরিভ্রমণকে মিরাজ বলা হয়। রাসূল স. এর ইসরা ও মিরাজ পবিত্র কুরআনের দু‘টি সূরায় স্পষ্টরূপে বর্ণিত হয়েছে। আর কোন কোন সূরায় এ বিষয়ে কিছুটা ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে। এখানে সংক্ষিপ্ত আকারে এরূপ একটি সূরার আয়াতের ব্যাখ্যা উপস্থাপন করছি। আল্লাহ তা‘য়ালা সূরা বানি ইসরাইলের প্রথম আয়াতে বলেছেন-

سُبْحَانَ الَّذِيْ اَسْري بِعَبْدِهِ لَيْلًا مِّنَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ اِلي الْمَسْجِدِ الْاَقْصَا الْذِيْ بَرَكْنَا حَوْلَهُ لِنُرْيَهُ مِنْ اَيَاتِنَا اِنَّهُ هُوَ السَّمِيْعُ الْبَصِيْرُ.

অর্থ: “পরম পবিত্র ও মহিমাময় সত্ত্বা তিনি , যিনি স্বীয় বান্দাকে রাত্রিবেলায় ভ্রমণ করিয়েছিলেন মসজিদে হারাম থেকে মসজিদে আকসা পর্যন্ত। যার চারদিকে আমি পর্যাপ্ত বরকত দান করেছি যাতে আমি তাকে কুদরতের কিছু নিদর্শন দেখিয়ে দেই। নিশ্চয়ই তিনি পরম শ্রোতা ও সর্বদ্রষ্টা।”
উল্লেখিত আয়াতের বাহ্যিক অর্থ থেকে নিম্মোক্ত বিষয়গুলো বোঝা যায়:-
১. মহান আল্লাহ তা‘য়ালা এ যাত্রার উদ্যোক্তা হিসেবে নিজেকে উল্লেখ করে বলেছেন , اسريঅর্থাৎ , তিনিই এ পরিভ্রমণ করিয়েছেন। যাতে কেউ মনে না করে যে , সাধারণভাবে প্রাকৃতিকভাবে বা স্বপ্নের মাধ্যমে তা সম্পন্ন হয়েছে । বরং এ সফরটি মহান সত্ত্বা ও প্রতিপালকের বিশেষ ক্ষমতায় সম্পাদিত হয়েছে।
২. এ সফরটি রাত্রিবেলা হয়েছিল। তাই اسريশব্দটির পাশাপাশি ليلاশব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে , যা আরবগণ রাত্রিকালীন সফরের ক্ষেত্রে ব্যবহার করে থাকে।
৩. এ আয়াতটিতে যদিও সফরের শুরু মসজিদে হারাম থেকে এবং পরিসমাপ্তি মসজিদে আকসা উল্লেখ করা হয়েছে , তদুপরিও তা মহানবি স. এর ঊর্ধ্ধজগতে পরিভ্রমণের ক্ষেত্রে বিরোধী নয়। কারণ এ আয়াতে সফরের বর্ণনা এই পরিসীমার মধ্যে থাকলেও সূরা নজমের আয়াতসমূহে ঊর্ধ্ধজগতের ভ্রমণের বিস্তারিত বিবরণ রয়েছে।
৪. মহানবি স. এর এ পরিভ্রমণ দেহ ও আতœার সমন্বয়ে হয়েছিল। তা শুধু আতিœক ছিল না। এ কারণেই আয়াতে বলা হয়েছেبعبده যা দেহ ও আতœার সমন্বিত রূপের প্রতি ইঙ্গিত করে। মিরাজ যদি শুধু আতিœক হতো তবে আল্লাহ بروحه বলতেনبعبده বলতেন না।

এ আয়াতের মাধ্যমে ইসরার বিষয়টি পরিষ্কার হয়। আর অন্য যে সূরার আয়াতের মাধ্যমে মিরাজের বিষয়টি স্পষ্টরূপে বোঝা যায় তা হলো সূরা আন্ নজম। এ সূরার নি¤েœাক্ত আয়াতের শানে নযুল হলো , যখন নবি স. কুরাইশদের বললেন , আমি ওহি বহনকারী ফেরেশতাকে তার প্রকৃত চেহারায় প্রথম অহী অবতীর্ণ হওয়ার সময় দেখেছিলাম , তখন কুরাইশরা একথায় তার সঙ্গে বিতর্কে লিপ্ত হয়। তখন আল্লাহ তা‘য়ালা তাদের জবাবে বললেন –

أفتما رونه على ما يرى و لقد راه نزلة أخرى عند سدرة المنتهى عندها جنّة المأوى إذ يغشى السّدرة ما يغشى ما زاغ البصر و ما طغى لقد رأى من آيات ربّه الكبرى.

অর্থ: “রাসূল স. যা দেখেছেন তোমরা কেন সে বিষয়ে তার সঙ্গে বিতর্ক কর ? তিনি আরেকবার তাকে (ওহি বহনকারী ফেরেশতা) দেখেছিলেন সিদরাতুল মুনতাহার নিকট। এর সন্নিকটেই জান্নাতুল মা‘ওয়া অবস্থিত। তখন সিদরাতুল মুনতাহাকে যা আচ্ছাদিত করার ছিল তা পূর্ণরূপে আচ্ছাদিত করে রেখেছিল। তার দৃষ্টি কোন ভূল করেনি এবং কোনরূপ বিচ্যুতও হয়নি এবং তিনি তার প্রতিপালকের মহান নিদর্শনের কিয়দংশ প্রতক্ষ করেন।”
এ আয়াতটি রাসূল স. এর মিরাজ বা উর্ধ্ধে গমন প্রমাণ করে। কারণ আকাশমন্ডলীরও উপরে সিদরাতুল মুনতাহা নামক স্থানে রাসূল স. এর ফেরেশতাকে দেখার বিষয়টি আয়াতটির মাধ্যমে স্পষ্টভাবে বোঝা যায়। আর এ আয়াতটি দ্বারা এটাও প্রমাণ পাওয়া যায় যে , রাসূল স. এর মিরাজ জাগ্রত অবস্থায় সশরীরেই হয়েছিল। কারণ স্বপ্নে অনেক আশ্চর্যজনক বিষয় দেখা যেতে পারে। স্বপ্নের মাধ্যমে ফেরেশতার চেয়েও আশ্চর্যজনক কিছু দেখলেও তা নিয়ে কুরাইশরা বিতর্ক করত না। এখানে মূলত রাসূল স. ফেরেশতাকে স্বপ্নে নয় বরং বাস্তবে দেখার বিষয়টিই কুরাইশদেরকে বুঝাতে চেয়েছিলেন। কিন্তু কুরাইশরা বাস্তবে দেখার বিষয়টি অস্বীকার করে বিতর্ক শুরু করল। তখন আল্লাহ তায়ালা এ আয়াতের মাধ্যমে কুরাইশদেরকে জানালেন যে , রাসূল স. এ ফেরেশতাকে শুধু দুনিয়াতেই দেখেননি বরং আকাশমন্ডলীরও উর্ধ্ধে সিদরাতুল মুনতাহার নিকট এ ফেরেশতাকে তিনি বাস্তবে স্বচক্ষে আরো একবার দেখেছেন।
হাদিস ও সীরাত বিষয়ক গ্রন্থে প্রায় ৪০ জন সাহাবী থেকে সহীহ বা যয়ীফ সনদে মিরাজের ঘটনার বিভিন্ন দিক ছোট ও বড় আকারে বর্ণিত হয়েছে। যদিও ইমাম জালালুদ্দিন সুয়ূতী রহ. তার খাসায়েসুল কুবরা নামক কিতাবে ৩১ জন সাহাবীর থেকে মিরাজের বর্ণনা এসেছে বলে উল্লেখ করেছেণ। কিন্তু কোনো হাদিসে রাসূল স. থেকে মিরাজের তারিখ সম্পর্কে একটি কথাও বর্ণিত হয়নি। সাহাবী ও তাবেয়ীগণ তারিখের বিষয়ে তেমন কিছু বলেননি। মূলত এ সকল হাদিসের শিক্ষাগ্রহণই তাদের উদ্দেশ্য ছিল। তাই তারা তারিখের বিষয়ে তেমন কোন গুরত্ব দেননি। ফলে তারিখের বিষয়ে পূর্ববর্তী যুগের মুহাদ্দিস ও ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতবিরোধ দেখা দেয়। মিরাজ একবার না একাধিকবার সংঘটিত হয়েছে , কোন বৎসরে হয়েছে কোন মাসে হয়েছে , কোন তারিখে হয়েছে ইত্যাদি বিষয়ে প্রায় ২০ টি মত রয়েছে। ফতহুল বারী , উমদাতুল ক্বারী , আল মাওয়াহিবুল্লাদুনিয়্যাহ , শারহুল মাওয়াহিব , তারিখে ইবনে কাসীর ইত্যাদি গ্রন্থ ও সীরাত গ্রন্থে এ বিষয়ে বিভিন্ন মতবিরোধসহ ব্যাপক আলোচনা করা হয়েছে। কোন কোন আলিমের মতে যুলক্বদ মাসে। কারো কারো মতে , রযব মাসের এক তারিখে বা প্রথম শুক্রবারে। আবার কারো কারো মতে রজব মাসের ২৭ তারিখ রাতে মিরাজ সংঘটিত হয়েছিল। তবে অধিকাংশ আলিমই বলেছেন , রবিউল আউয়াল মাসে মিরাজ সংঘটিত হয়েছিল। তাবেঈদের মধ্যে ইমাম যুহরী ও উরওয়া ইবনুয যুবাইর রা. এর এ অভিমত। ইবনুু আবি শায়বা সংকলিত এক মুরসাল হাদিসে যাবির রা. ও ইবনু আব্বাস রা. বলেন , রাসূল স. রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখ সোমবার জন্মগ্রহণ করেন , এ দিনেই তিনি নবুওয়াত লাভ করেন এবং এ দিনেই তিনি মিরাজে গমন করেন। আবার মিরাজ কি স্বপ্নযোগে সংঘটিত হয়েছে ? নাকি জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে সংঘটিত হয়েছে ? এ ব্যাপারেও মতভেদ রয়েছে। হযরত আয়িশা রা. ও মুয়াবিয়া রা .সহ একদল সাহাবির থেকে রাসূল স. এর মিরাজ স্বপ্নযোগে সংঘটিত হওয়ার রেওয়ায়েত পাওয়া যায়। আর হযরত ইবনু আব্বাস রা. , হযরত আনাস রা. ও হযরত আবু হুরায়রা রা. সহ অসংখ্য সাহাবীদের থেকে মিরাজ সশরীরে জাগ্রত অবস্থায় সংঘটিত হওয়ার রেওয়ায়েত পাওয়া যায়। তবে এ মতভেদগুলো থেকে একটি বিষয় সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে যে , রাসূল স. এর জীবনে মিরাজ একবার নয় বরং কয়েকবার সংঘটিত হয়েছিল। তন্মধ্যে শুধুমাত্র একবার জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে। আর বাকী সবগুলো ঘুমন্ত অবস্থায় স্বপ্নযোগে। তাই বলা যায় সাহাবায়ে কেরামদের থেকে যে দু‘টি অভিমত এসেছে , তার একটি অপরটির বিরোধী নয়। কারণ যাদের বর্ণনায় রাসূল স. এর মিরাজ স্বপ্নযোগে সংঘটিত হয়েছিল বলে জানা যায় , তাদেরটি স্বপ্নযোগে হওয়ার প্রমাণ বহন করে। আর যাদের বর্ণনার মাধ্যমে রাসূল স. এর মিরাজ জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে সংঘটিত হওয়ার বিষয়টি জানা যায় , তাদেরটি সশরীরে হওয়ার ব্যাপারে প্রমাণ বহন করে। সুতরাং উভয় রেওয়াতের মধ্যে কোনো দ্বন্দ্ব নেই। তবে জাগ্রত অবস্থায় সশরীরে হওয়ার রেওয়ায়েতগুলো খুবই শক্তিশালী। কারণ এ রেওয়ায়েতের সমর্থনে পবিত্র কুরআনের সুস্পষ্ট নস রয়েছে। যা ইতিপূর্বে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ উল্লেখ করেছি। আমাদের সমাজের কিছু সংখ্যক ভাই হযরত আয়িশা সিদ্দিকা রা. ও মুয়াবিয়া রা. এর রেওয়াতের মাধ্যমে রাসূল স. এর মিরাজ সশরীরে নয় বরং স্বপ্নযোগেই হয়েছে বলে প্রচার করেন। মূলত এর মাধ্যমে তারা পবিত্র কুরআন ও অসংখ্য সহীহ হাদিসের সুস্পষ্ট দলিলগুলোকে নিজেদের অজান্তেই অমান্য করা চলছে। অথচ তারা লক্ষ্যই করছেনা যে , উভয় মতের মধ্যে যে কোনো একটিকে প্রাধান্য দিতে গেলে তাদের মতটিই কুরআনের সুস্পষ্ট নস বিদ্যমান থাকার কারণে বাতিল বলে গণ্য হবে। কারণ শরীয়তের নীতিমালা অনুয়ায়ী হাদিসের উপর কুরআন প্রাধ্যান্য পেয়ে থাকে। এখানে আরও একটি বিষয় লক্ষণীয় যে , এর মাধ্যমে তারা মহানবী স. সশরীরে মিরাজের মাধ্যমে আল্লাহ পাকের যে চরম ও পরম সান্নিধ্য অর্জন করে একান্ত গোপনে কথপোকথন করার সৌভাগ্য লাভ করে সকল নবী ও রাসূলদের উর্ধ্ধে মাকাম লাভ করেছেন , সে বিষয়টিকেও অস্বীকার করার প্রয়াস পাচ্ছে। অথচ মিরাজের রাতে মহানবী স. এর আল্লাহর সাথে সাক্ষাত ও কথোপকথনের বিষয়টি অসংখ্য সহীহ হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে। তন্মধ্যে কয়েকটি উল্লেখ করছি। সহীহ বুখারী শরীফে হযরত আনাস ইবনু মালিক রা. থেকে এ সংক্রান্ত বর্ণনা সংকলিত হয়েছে। উক্ত হাদিসের এক অংশে বর্ণিত হয়েছে-

حَتَّى جَاءَ سِدْرَةَ المُنْتَهَى، وَدَنَا لِلْجَبَّارِ رَبِّ العِزَّةِ، فَتَدَلَّى حَتَّى كَانَ مِنْهُ قَابَ قَوْسَيْنِ أَوْ أَدْنَى
অর্থ: অবশেষে হুযুর করীম স. সিদরাতুল মুনতাহায় আগমন করলেন। এরপর পরাক্রমশালী আল্লাহ তায়ালার নিকটবর্তী হলেন। অতি নিকটবর্তী হওয়ার ফলে তাদের উভয়ের মধ্যে দু‘ধনুকের পরিমাণ ব্যবধান রইল অথবা আরও কম। (বুখারী , হাদিস নং-৭৫১৭)
তিরমিযি শরীফে হযরত ইবনু আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত আছে –
عن عكرمة عن ابن عباس – رضي الله عنهما – قال: “رأى محمدٌ ربَّه”. قلت: أليس الله يقول {لا تُدْرِكُهُ الْأَبْصَارُ وَهُوَ يُدْرِكُ الأَبْصَارَ}[الأنعام ১০৩]، قال: ويحك ذاك إذا تجلى بنوره الذي هو نوره، وقال: أُرِيَه مرتين

অর্থ: হযরত ইকরামা রা. থেকে বর্ণিত , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা. বলেন , মুহাম্মদ স. তাঁর রবকে দেখেছেন। আমি বললাম , আল্লাহ তা‘য়ালা ইরশাদ করেননি যে , “তিনি দৃষ্টির অধিগম্য নন কিন্তু দৃষ্টিশক্তি তাঁর অধিগত।” তখন তিনি বললেন , বিনাশ হোক। এ অবস্থা হল তো তখনের যখন তিনি তাঁর আসল নূরে তাজাল্লী করেন। আর সায়্যিদিনা মুহাম্মদ স. তাঁর রবকে দু‘বার দেখেছেন। (সুনানে তিরমিযি , হাদিস নং- ৩২৭৯) এরূপ অসংখ্য হাদিস রয়েছে যেগুলো আল্লাহ তা‘য়ালাকে সরাসরি দেখা ও তার সাথে কথা বলার প্রমাণ পেশ করে। লেখার পরিসর দীর্ঘ হয়ে যাওয়ার কারণে এখানে সেগুলো উল্লেখ করা যাচ্ছে না। পরিশেষে বলা যায় যে , হযরত আয়েশা রা. ও তাঁর সমর্থনে বর্ণিত হাদিসগুলো স্বপ্নযোগে মিরাজ সংঘটিত হওয়ার দলীল। আর কুরআনের আয়াত ও মিরাজ সম্পর্কে বর্ণিত অন্যান্য হাদিসগুলো সশরীরে জাগ্রত অবস্থায় মিরাজ সংঘটিত হওয়ার দলীল। তাহলেই উভয় বর্ণনার মধ্যে দ্বন্দ্ব নয় বরং সমতা সৃষ্টি হয় এবং কুরআনের আয়াতগুলোরও আমল করা হয়ে যায়। অন্যথায় হাদিস দ¦ারা কুরআনের সুস্পষ্ট নসের উপর বাড়াবাড়ি হয়ে যায়। যা নিতান্তই অপরাধ বৈ কিছু নয়। আল্লাহ পাক আমাদেরকে সঠিক বিষয়টি অনুধাবন করার তাওফিক দান করুন।

লিখেছেন – মুফতী রাকিবুল ইসলাম সালেহী

প্রিন্সিপাল- দারুল হাবিব জামিয়া ইসলামিয়া, যাত্রাবাড়ি, ঢাকা

সম্পাদনায় – মাওলানা শোয়ায়েব হোসাইন মোল্লা



This post has been seen 282 times.
শেয়ার করুন

Recently Published

article image
»

One Piece Bounty Rush Cheats

Since now you can download the One Piece Bounty Rush hack and enjoy ...

article image
»

One Piece Bounty Rush Cheats

Since now you can download the One Piece Bounty Rush hack and enjoy ...

article image
»

James Patterson The 17th Suspect ebook

FREE EBOOKS James Patterson The 17th Suspect ebook Language: ...

article image
»

James Patterson The 17th Suspect ebook

FREE EBOOKS James Patterson The 17th Suspect ebook Language: ...

article image
»

Lord of Dice cheats tips and tricks

Here you can find the newest version of the Lord of Dice android ...

article image
»

Lord of Dice cheats tips and tricks

Here you can find the newest version of the Lord of Dice android ...

article image
»

Odpowiednik odcinek 4 online

ODPOWIEDNIK ONLINE ODPOWIEDNIK ODCINEK 4 LEKTOR ONLINE LINK DO ...

article image
»

Odpowiednik odcinek 3 online

ODPOWIEDNIK ONLINE ODPOWIEDNIK ODC 3 LEKTOR ONLINE LINK DO ...

article image
»

Odpowiednik odcinek 5 online

SERIAL ODPOWIEDNIK ONLINE ODPOWIEDNIK ODC 5 LEKTOR ONLINE LINK DO ...

Shares
Loading...