banner

The New Stuff

388 Views

আজকের ‘মানবতার মুক্তির স্লোগান’ যেন, এই তো সেদিনের ‘খোলাফায়ে রাশেদা’র আওয়াজ


 ১ম পর্ব__________________

 

“ধর্মের নামে অধর্মই আজ উগ্রবাদের জন্ম দিচ্ছে” স্লোগানটা মূলত কোন স্লোগান নয় এটা ইসলামের এক মহান দিক দর্শন । এই দিক দর্শন ব্যাতিরেকে খেলাফাতে ইসলামিয়া কায়েম ও দায়েম  রাখাটা নিতান্তই দূর পরাহুত একটি বিষয় ।

 

ধর্মের ধোয়া দিয়ে অধর্মকে লালন করে মানবতা বিরোধী কার্যকলাপ নিতান্তই ইসলামের অপব্যাখ্যা ।

 

যুগটি ছিলো আমিরুল মুমিনীন হাজ্রাতে আলী রাদিয়াল্লাহু তাআলা আনহুর যুগ । ইসলামের অপব্যাখ্যাকারীদের জন্মদাতা সেই খারেজীদের আক্রমনে আহত শেরে খোদা আলি রাদি আহত পরবর্তী যে নছীহতটি করেছিলেন তা হলো – “আমার মৃত্যুর পর হত্যার মানসে খারেজীদের সন্ধানে ধাবিত হয়ো না । পাপা পঙ্কিল জীবনযাত্রা এবং মানবতাবিরোধী কার্যকলাপে জীবন অতিবাহিত করার চেয়ে সত্যপথ অনুসন্ধানে বহির্গত হয়ে পথভ্রষ্ট হওয়াটাও শ্রেষ্ট”।

 

আলি রাদি এর উপরোক্ত কওলের উপর ভিত্তি করে যে বিষয়গুলো সামনে আসছে তা হলো শেরে খোদা উপাধিপ্রাপ্ত আলি রাদি এর জিহাদী মনোভাব জিহাদী চিন্তা চেতনা বাতেলকে প্রতিহত করবার প্রয়াশ সাফল্যের শীর্ষ চূড়ায় থাকা সত্তেও কিন্তু তিনি উগ্রবাদী চিন্তা চেতনা বা মননে উৎসাহিত করেননি । তিনি ইসলামের সর্বাঙ্গীণ উন্নতির কামনাতেই উপরোক্ত বক্তব্য প্রদাণ করেছিলেন ।

 

কেননা তিনি যানতেন খেলাফতে ইসলামিয়া কায়েম করবার সূত্রতা ইনসানিয়াতের মুক্তি তথা মানবতার কল্যানকামিতার মাঝে বিদ্যমান ।

 

আমাদের খোলাফায়ে রাশেদীনরা মূলত মানুষের উপর নিজস্ব মতবাদকে চাপিয়ে দেবার বা জোর জবরদস্তী করবার ঘোরতর বিরোধী ছিলেন । মানবতা বিধ্বংসী কোন একটি আমলও খোলাফায়ে রাশেদাদের দ্বারা কোনদিন প্রকাশ পায়নি কিন্তু আজ নিজশ্ব মতবাদকে নিজস্ব দর্শনকে নাঙ্গা তলোয়ারের জোড়ে চাপিয়ে দেওয়াটা যেমন  কাফের মুশরেক বস্তু পূজারীদের নিত্য অভ্যাসে পরিণত হয়েছে ঠিক তেমনি এই অন্যায় কার্যক্রমটিকে হুবহু নকল করে সেটিকে ইসলামের লেবেল লাগিয়ে চালিয়ে দেবার প্রয়াস চালানোর মহড়া নিত্য নেত্রে ধরা পরছে ।

 

ইসলামী হুকুমতের আওতাধীন জমিনের উপর বসবাসকারী বিধর্মীদের/ মুশরেক/ কাফেরদের প্রতি হাজ্রাতে আলী রাদি এর ব্যাবহার ঠিক কেমন ছিলো ??

 

প্রদেশের নাম  আম্বাজ প্রদেশ । আমীরুল মুমিনীন আম্বাজ প্রদেশ পরিদর্শনে বেরিয়েছেন, সেখানকার জিজিয়া কর দেওয়া অমুসলিমরা খালীফাতুল মুসলিমীনকে দেখে সে সময়কার মুল্যবান ফারসী ঘোড়া উপঢৌকন হিসেবে নিয়ে এসে হাজির হয়ে গেলো । আমীরুল মুমিনীন হাজ্রাতে আলী রাদি সেই সব উপঢৌকনকে প্রত্যাখ্যানকরত বলেছিলেন-“আপনারা জিজিয়া পরিশোধ করছেন । এরপর আপনাদের কাছ থেকে কিছু গ্রহণ করা নিতান্তই অপরাধ, যদিও আপনারা এগুলো স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়েই আনন্দ চিত্তে প্রদাণ করতে চাচ্ছেন”।

 

powered by – shuaeb mollah 

চলবে___ 



This post has been seen 390 times.
শেয়ার করুন

Recently Published

»

ইসলাম প্রতিমার বিরুদ্ধে, ভাস্কর্য ও মূর্তির বিরুদ্ধে নয়, একটি দালীলিক পর্যালোচনা

নাজমুল মুহম্মদ ...

»

আহমাদিয়া মুসলিম জামাত নামধারী কুখ্যাত কাফের কাদীয়ানিয়াদের স্বরূপ উন্মোচন – ২য় খন্ড

সোনার বাংলাসহ গোটা ...

»

মেরাজুন্নাবী (সা) এর মূল দীক্ষাকে অস্বীকার করা প্রত্যক্ষভাবে শানে রেসালাতের অস্বীকৃতি

টাইমস৭১বিডি ডেস্ক, ঢাকা ...

»

উম্মেহানী এর পরিচয় ও নাস্তিকদের দাঁত ভাংগা জবাব

মাসুদ পারভেজ – ...

»

কিভাবে বাংলাদেশের জেলায় জেলায় বিদেশী অর্থায়নে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে সমকামীতা

নিলয় হাসান বলছি –  জেনে ...

»

হেফাজতে ইসলামের চেতনার মূল গোড়ায় “ওহাবীবাদ রাজনীতি”

ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত ...

»

কাদীয়ানিয়াত আহমাদিয়া মুসলিম জামাতের স্বরূপ উন্মোচনে ধারাবাহিক আলোচনা- ১ম পর্ব

ব্লগ ডট টাইমস৭১বিডি থেকে ...

»

“খোমেনীকে সমর্থন দেওয়া মানে শিয়াবাদকে সমর্থন দেওয়া”

‘টাইমস৭১বিডি ‘র ...

»

আমার প্রিয়নবীর পিতা মাতা নিষ্পাপ-মুমিন-ঈমানদার মুসলমান ছিলেন, জাহান্নামী নন

আমার প্রিয়নবীর  (সা) পিতা ...

Shares
Loading...